মনোঘাতোকিনী
তোমারে ভালোবাসবার লাইগা,একটু কাছে পাইবার লাইগা,
পাহাড় নদী আসমান জমিন সব এক করলাম,
কিন্ত তারপরও তোমারে কাছে পাইলাম না।
একটু ছুইবার লাইগা,তোমার চুলের গন্ধে ভাসবার লাইগা,
কতনা ছটফট করলাম কিন্ত তোমারে ছুইবার পারলাম না।
বর্ষায় যেদিন আকাশ কানতাছিল,আমার চোক্ষের পানি মিশতাসিল,
দুচক্ষে শুধুই আন্ধার দেখি,কিন্ত তোমারে ক্যান দেখি না।
তুমি ক্যান জানি আমার চক্ষের মরিচীকা হইয়া গেলা,
তোমারে খোয়াবে দেহি,ভাবনায় দেহি আবার দেহি না।
আমি যে কবে আমার আমিরে হারাই ফেললাম,
তা আমি নিজেও কইতে পারি না।
আমার আমি যে কবে তোমার তুমিতে মিইশ্যা গেসে,
তাও ঠাওর করতে পারি না।
শুধু এতদূর উপলব্দি করতে পারলাম,
আজকাল যে শুন্যতা আমারে গ্রাস করে।
যে কাতরতা আমারে পাগল করে,
যে কথাগুলান আমারে ভাবায়।
সবকিছুর কেন্দ্রে বইসা মুচকি হাসো তুমি,
আর সে হাসি তো আমার অস্তিত্বের শুন্যতা।
অন্যের হাত ধইরা হাটতে ,
তোমার হাতগুলান একটুও কাপলো না ,
যে হাত দিয়া আমার হাত ধইরা স্বপ্ন দেখাইতা।
সে হাত আইজ তুমি অন্যের বুকে রাখো,
ভালোবাসি কইয়া আবেগে আমারে ভাসাইতা ,
আর আইজ তুমি অন্যের খাটে সুখে ভাসো।
মিথ্যার মুখোশ পড়লে ক্যান জানি তোমারে এত্ত নিস্পাপ লাগে
তোমার মিথ্যায় আমি হারাই ফেলছিলাম আমার সত্যগুলান।
আজকাল বাস্তবতা আমার চক্ষের ভিত্রে আংগুল দিয়া কয়
ক্যান, ক্যান করছিলি এত্তগুলান সময়ের অপচয়।
বিশ্বাসের লগে বিশ্বাসঘাতকতা করলে বিশ্বাস কি আর বাচে,
অবাক লাগে যহন দেহি,এত পাপ কইরাও পাপী ইশ্বর সাজে।।
Comments
Post a Comment