Posts

Showing posts from March, 2023

বিস্মৃতি

 দার্জিলিং এর পড়ন্ত বিকেল, নকশী.চাদরে মোড়া আমরা দুজন এক কফির মগে ভালোবাসার চুমুক। শুভ্র শিশিরভেজা ভোরের অপেক্ষায়,  রাত্রির ছিল কত আয়োজন। তুমি আমি আর আমাদের, এক হওয়াটায় ছিল প্রয়োজন। বেশ তো ছিল সেই দিনগুলো, আজো তাজা পুরোনো সৃত্মিগুলো। মিথ্যে হয়ে গেসে শুধু স্বপ্নরা, তোমার জন্য আমার ভাবনাগুলো। বৃষ্টিতে ভেজা, হাতে কদম আর নীল শাড়ি, একসাথে হেটে যাওয়া অনেকটা পথ ছিল বাকি। হেমন্তের বিকেলে কাশের বনে তোমার আমার হারিয়ে যাওয়া, কিংবা বসন্তের স্নিগ্ব আভায় লজ্জায় রঞ্জিত হওয়া। সেসব হয়তো আজ হারাই স্মৃতির মরিচীকায়। তোমার আমার দেখা হয় না আজ বহুবছর একসাথে চন্দ্রবিলাস আর সুখের প্রহর।। সুখের সন্ধানে ছন্নছাড়া দুই পথিক, কিসের প্রয়োজনে আজ শত আলোকবর্ষ দূর।।

প্রেম অপেক্ষা

 তোমার জন্য লেখা কথা, না বলা সব ব্যাথা। স্বপ্নরা ভুল হয়ে যায় ঘুম ভাঙলেই। তুই থেকে তুমি আর, সেই থেকে শুরু। প্রেম থেকে ভালোবাসা, জমে আজ ক্ষীর। আমার থেকে আমাদের, পথচলা শুরু থেকে বহুদূর। স্মৃতি দিয়ে কাব্য লিখে বিস্মৃতির উপসংহার। তবুও আজো ভাবি, আমাদের সেই ছবি। তীব্র আক্রোশে, ভাঙছে পৃথিবী। তোমার চাহনি কিংবা সেই মিষ্টি হাসি আজ মস্তিস্কের ভাঙচুর। ক্লান্তি আজ স্পর্শহীন, শান্তিতে লাগে ভীতি। তোমার জন্য লেখা সব কবিতা, আজ যেন মিথ্যে প্রতিশ্রুতি। ভালোবাসা যেন এক নাট্যকথা যার পরিনতি শুধুই বিচ্যুতি।

আকুতি

 যদি বলি স্বপ্ন দেখছো, মিথ্যে তুমি বলবে নাতো। যদি ভাবি স্বপ্নে ছিলেম মিথ্যে তা হবে নাতো। যদি তোমার ভাবনায় ভাগ বসাই, রাগ তুমি করবে নাতো। যদি তোমার অভিমান এর কারন হই ছেড়ে তুমি যাবে নাতো। যদি তোমায় আলতো ছুয়ে তৃষ্ণা মিটায়, বারণ তুমি করবে নাতো। যদি তোমায় বাক্যবানে ত্যক্ত করি, চোখের জলে ভিজবে নাতো। তোমার জন্য কাচের চুড়ি লাল পাড়ের সাদা শাড়ি অই ওয়েস্টার্ন তুমি পড়বে নাতো। জীবন যুদ্বে হারি বা জিতি আমার পাশে তুমি থাকবে তো। যদি অকালে মৃত্যু ডাক দিয়ে বসে  কথা দাও তুমি কাদবে নাতো

পন্থা

যদি ভাবনা হয় মৃত্যু, স্বপ্নগুলো ছন্নছাড়া। মৃত্যু যদি হয় রহস্যময় তাহলে ভাবনা কিসের, বাচা কিংবা মরা। যদি ভাবো অমর হবো, কোটি মানুষের চিন্তায় বাচো। দেহ তো শুধু আকারে ছফুট মনের কি আর গন্ডি আছে নিজের মাঝেই পৃথিবী গড়ো মনটা দিয়ে আলোকে ধরো। শেকলে গড়া এই সমাজ আকড়ে ধরছে অস্তিত্ব। নিয়মের ছদ্মবেশে আবৃত এই নিশ্চল দেহ, খুজছে সেই অনুভূতিকে এই যে বেচে থাকার অনুভূতি। অমৃতের স্বাদ হয়তো বেচে থাকায় আস্বাদিত হয়। হতাশা শুধুই এক আচ্ছাদন জীবনের এক নিশ্চিত কুয়াশা। মেনে না নিতে পারলেই,  জীবনটা অদ্ভুত মরিচীকা।

তুমি

 যদি বলি স্বপ্ন দেখেছো, মিথ্যে বলবে নাতো। যদি ভাবি স্বপ্নে ছিলাম আমি মিথ্যে হবে নাতো। যদি তোমার ভাবনায় ভাগ বসাই, রাগ করবে নাতো। যদি তোমার অভিমান এর কারন হই, ছেড়ে যাবে নাতো। যদি তোমায় আলতো ছুয়ে তৃষ্ণা মিটায়, বারণ তুমি করবে নাতো। যদি তোমায় বাক্যবানে ত্যক্ত করি, চোখের জলে ভিজবে নাতো। তোমার জন্য কাচের চুড়ি লাল পাড়ের সাদা শাড়ি অই ওয়েস্টার্ন তুমি পড়বে নাতো। জীবন যুদ্বে হারি বা জিতি আমার পাশে তুমি থাকবে তো। যদি অকালে মৃত্যু ডাক দিয়ে বসে  কথা দাও তুমি কাদবে নাতো

চক্রবন্দি

 চক্রাকারে ঘুরিনি আমি কখনো সরলরেলখায় জীবন আকতাম, মস্তিস্কের নিউরন ঘোনা হয়নি নিউরনের মারপেচেই ঘুরতাম।

দুঃখরাতের মূর্ছনা

 তোমার জন্য সুখ চেয়েছিলাম চিরকাল পৃথিবীকে না করেছিলাম অজস্রবার, ক্লান্তিকে শরীরে জড়াইনি কত রাত জীবনের ছন্দপতনকে ছন্দ ভেবেছিলাম। আমার সময়গুলো ছিল, তোমার ঘড়িতে বাধা, চোখের দৃষ্টি ছিল সীমাবদ্ব, বুদ্বিগুলো লোপ পাচ্ছিল চিন্তাগুলো খেই হারাচ্ছিল। নিজের মধ্যে নিজবন্দি হয়ে, খুজছিলাম নিজেকে, প্রেমের মরুতে আমি তখন তোমায় খুজছিলাম তৃষার্ত্ব পথিকের মত পেয়েছিলাম মরিচীকার মতো,  এখনো প্রতিশ্রুতি আকড়ে বেচে আছি নিজেকে খুজে বেড়াচ্ছি। অস্তিত্ব আজ নিখোঁজ খুজতেও চাই না। হয়তো দুই বৃত্তে থেকে আজো দুইজন দুইজনকেই খুজছি আজ তাই নিজেরাই নিখোজ.. হয়তো আমাদের প্রেমই হয়নি হয়েছিল ভালোবাসার চেয়ে বেশি কিছু।। 

হারানো আমি

 তুমি আজ বহুদূর জানি না কতদূর, ভাবি শুধুই হাত বাড়ালেই নিথর।। বুকে জমা কষ্ট চিন্তারা ভ্রস্ট খুজে যাই আমায়, আমি যে হারাই আমারি মাঝে, খুজে কি আর তাকে পাই। সে শুধু জানে, আমারই মানে, তাইতো খুজে হারাই। পাবো কি তারে বলি দুঃখটারে বড্ড সে বেসামাল।। জীবন্ত লাশ করে নিয়ে গেলে আমিকে কেড়ে।। আমি ছাড়া এই আমি নিজেকেই না জানি খুজছি এই পথ ঘুরে।। যদি পাও আমিকে খুজে, দিয়ে দিও মৃত্যকে। চাইবো না আর আমাকে, আমি ছাড়াই আমি যে সুখে।।

অপশিক্ষা

 আমাদের দেশ আজ উন্নতির শিখরে  ক্রমেই যাচ্ছে দূর্নীতির কাধে বয়ে।তবে আজও পর্যন্ত কি পেলাম আর কি হারালাম তার হিসাব কষতে গিয়ে আজও অর্ধেক জাতি খেই হারিয়ে ডিপ্রশনের স্রোতেঈ হারিয়ে যাচ্ছে।শিক্ষা আজ এমন এক সহজলভ্য মানহীন পন্যে পরিনত হয়েছে,যার মুল্য আজ শুধু কাগজের টাকার মতোই।এই অদ্ভুত শিক্ষারই বা কি প্রয়োজন,,জানি না এই শিক্ষার মোড়কে কুশিক্ষা গ্রহনের জন্য কেনই বা এত আয়োজন।মনুষ্যত্বকে বিলিয়ে দেওয়ার যে শিক্ষা আজ জ্ঞান হয়ে আমাদের নিউরনে ঢুকিয়ে দেওয়া যে তার পরিনত একদিন কার্বন মনো অক্সাইডের মতো টক্সিক প্রভাব ফেলবে আমাদের এই সমাজে।

ক্ষুদ্রবিন্দু

 ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর অস্তিত্ব বিন্দুকার, নিজেকে নিজে করি আবিস্কার। মাঝে মাঝে আবার ক্ষুদ্র তিরস্কার, মানশিকতার উন্মোচন আর সদাচার। তবুও ভাবনার অবিচল বিচরন, নাটকের ন্যায় অদ্ভুত আচরন। রহস্যময় সবকিছু অজানা কারন, মানুষ বলেই হয়তো এতসব বারন। পৃথিবীর নানা রং,ভিন্ন ভিন্ন রূপ, মাঠির পরিচিত গন্ধ,জীবে ইশ্বর স্বরূপ। বর্ষার বর্ষন,শরতের আকাশ,সন্ধ্যার ধূপ, খড়ায় বিদীর্ন মাঠ আর জলশুন্য কূপ। মস্তিস্কের ভিতর যে চিন্তারা ঘুরে, ক্ষত বিক্ষত নিউরনের ভাংচুরে। অদৃশ্য রক্তক্ষরন অস্তিত্বজুড়ে, বিবেকের দংশনে আজ টনক নড়ে।।।

মনোঘাতোকিনী

 তোমারে ভালোবাসবার লাইগা,একটু কাছে পাইবার লাইগা, পাহাড় নদী আসমান জমিন সব এক করলাম, কিন্ত তারপরও তোমারে কাছে পাইলাম না। একটু ছুইবার লাইগা,তোমার চুলের গন্ধে ভাসবার লাইগা, কতনা ছটফট করলাম কিন্ত তোমারে ছুইবার পারলাম না। বর্ষায় যেদিন আকাশ কানতাছিল,আমার চোক্ষের পানি মিশতাসিল, দুচক্ষে শুধুই আন্ধার দেখি,কিন্ত তোমারে ক্যান দেখি না। তুমি ক্যান জানি আমার চক্ষের মরিচীকা হইয়া গেলা, তোমারে খোয়াবে দেহি,ভাবনায় দেহি আবার দেহি না। আমি যে কবে আমার আমিরে হারাই ফেললাম, তা আমি নিজেও কইতে পারি না। আমার আমি যে কবে তোমার তুমিতে মিইশ্যা গেসে, তাও ঠাওর করতে পারি না। শুধু এতদূর উপলব্দি করতে পারলাম, আজকাল যে শুন্যতা আমারে গ্রাস করে। যে কাতরতা আমারে পাগল করে, যে কথাগুলান আমারে ভাবায়। সবকিছুর কেন্দ্রে বইসা মুচকি হাসো তুমি, আর সে হাসি তো আমার অস্তিত্বের শুন্যতা। অন্যের হাত ধইরা হাটতে , তোমার হাতগুলান একটুও কাপলো না , যে হাত দিয়া আমার হাত ধইরা স্বপ্ন দেখাইতা। সে হাত আইজ তুমি অন্যের বুকে রাখো, ভালোবাসি কইয়া আবেগে আমারে ভাসাইতা , আর আইজ তুমি অন্যের খাটে সুখে ভাসো। মিথ্যার মুখোশ পড়লে ক্যান জানি তোমারে এত্ত নিস্পাপ লা...

শুন্য কক্ষ

 শুন্য থেকে যে শুন্যতা আসে, কাপন তোলে, নিজে হারাই নিজের মাঝে আপন ভুলে। কল্পনারা ভিড় করে,কড়া নাড়ে মৃদু তালে, স্বপ্নহারা কিংবা সত্তাহারা পথিকেরা পথভোলে। মানুষ যেদিন মুখ লুকাই মানবতার মিথ্যে মুখোশে, সব অন্যায় নির্দ্বিধায় চলে,মনুষ্যত্ব রয় উপবাসে। সন্ধ্যা নামে রাত্রি আসে,কান্নাগুলো চোখেই ভাসে, মুখোশধারী মানুষ সবাই,অন্তরে বিষের বন্যা ভাসে। তবুও আশায় মানুষ বুক বাধে,সেই বুকেতে ফুল ফোটে, সবকিছু বদলে যাবে সেই আশায় বৃষ্টি নামে। বৃষ্টিশিক্ত কল্পনাদের আড্ডাখানায় সামিল হওয়া, মস্তিস্কে বোনা দাবার ছকে মিথ্যেচালে বন্দি হওয়া। কৌতুহল শুধু বেড়েই চলছে মানুষের এত অমিলে, এরই মাঝে মনুষ্যত্ব বিক্রি হচ্ছে প্রচারনার মিছিলে। জনপ্রিয়তায় আজ যেন এক জনদরদীর মূললক্ষ্য, মনুষ্যত্বের ঠাই আজ অজানা নীরব শুন্য কক্ষ।। 

অসভ্য মুখোশ

 সভ্য হতে গিয়ে আর মানুষ হতে পারলাম না পৃথিবীতে অস্তিত্বযোদ্বা হয়ে বেচে আছি লালসা আজ খুড়ে খূড়ে খাচ্ছে অস্তিত্বকে গুনে ধরা সভ্যতার শুধুই নিস্প্রান সাক্ষী হয়ে আছি জানি যা কিছু আমায় কিংবা আমাদের ভাবায় সব নিরবতায় নিঃশব্দে কানে বেজে যায় চোখের সামনে সবকিছুই তামাশার কারখানা স্বপ্নদের নিবিড় পায়তারা আর গগনবিদারী কান্না চারদিক সময়ের সাথে কেমন যেন পাল্টে যাচ্ছে কিছু মানুষ আশা নিয়ে বাস্তবতায় হারাচ্ছে খুজতে গিয়েও বার বার নিজেকে হারানো অদ্ভুত এক সংগ্রাম অজান্তেই জীবনে জড়াচ্ছে বিশ্বাস আজকাল শুধুই একখানা শব্দ যে শব্দ তার বিশেষত্ব নিয়ে নিজেই সন্দিহান বিশ্বাসের কারনে অকারনে অপব্যবহার  মানুষ আর বিশ্বাস আজ তাদের অনেক ব্যবধান আজকাল ইন্দ্রিয়গুলো বড্ড প্রখরতা পাচ্ছে তাই প্রচন্ড ভীতি অজান্তেই  মনে চাপছে পরিচিত মানুষের সুপরিচিত নিরীহ ছবি মুখোশের আবডালে লুকানো ভয়ংকর প্রতিচ্ছবি।।

প্রাক্তন সিগারেট

 সেদিন তুমি রাস্তার মোড়ে দাড়িয়েছিলে ল্যাম্পপোস্টের আলোয় শিক্ত ছিল তোমার ভেজা চোখ আমি তোমার ঠিক অপরপ্রান্তের টং এ বসেছিলাম একমনে দেখছিলাম,সিগারেট পোড়াচ্ছিলাম হুট করে তোমার আমার চোখে চোখ পড়ে গেল ভাবনার তার ছিড়ে গেল,সম্বিত ফিরে পেলাম তুমি তখন উড়নায় চোখ ঢাকায় ব্যস্ত কিন্ত আমার চোখে তোমার চোখের জল লুকানো হলো না ভাবনার ঝড় আবার শুরু হলো মনে আজ প্রায় সাতমাস দেখা হয় না আমাদের তুমি তো বেশ সুখে থাকবে বলে আমায় প্রাক্তন বানালে তাহলে তোমার চোখের জলে এতো দুঃখ ঝড়ছে কেন? আমার বেশ জানতে ইচ্ছে করছিল ইচ্ছে করছিল ঝড়িয়ে ধরে বলতে যে, চোখে তোমার কাজল মিশে আছে কেন কিন্ত সে অধিকারটা তো তুমি উপ্রে ফেলেছো

মায়াবতী

 সেদিন তোমায় এত মায়াবতী লাগছিল যেন তুমি হতে মায়া ঝড়ছিল তুমি যেন পৃথিবীর সব সৌন্দর্যের কৃষ্ণগহ্বর সবকিছুই তোমার রুপে খেয় হারাচ্ছিল শুধু এটুকুই জানি আমার অস্তিত্বের কেন্দ্র তুমি তোমার অভিমান আমার মনকম্পনের কারন প্রতিদিন তোমার কথায়,ঘ্রানে,মুগ্ধতায় হ্রদয় আমার মায়ার মসৃন আবরনে আবৃত হচ্ছে ঠূনকো আবরনে গ্রাস করছে কঠোর হ্রদয়খানি তোমার স্পর্শের মোহে বাকী সব চিন্তা হারাচ্ছে ভাবনাগুলো নিমেষেই তোমার ভাবনায় মিশছে শুধু যা মস্তিস্ক উপলব্দ হচ্ছে তা হচ্ছে তুমি পিচঢালা রাস্তা কিংবা পার্কের লোকশুন্য বেঞ্চি সব সবকিছুই কেন যেন তোমার স্মৃতি টা নছে হয়ত সাইক্রেটিস্ট এর ভাষায় আমি বদ্ব উন্মাদ কিন্ত আমি জানি তোমার স্মূতির খোরাক ফুরোচ্ছে আজকাল সবকিছুই স্বাভাবিক স্থির লাগে যেন সবকিছুতেই দাড়ির বিরাম অসীম হয়ে যাচ্ছে পাগলের বিলাপ এখন স্পষ্ট আমার কাছে তার না পাওয়ার অভিযোগ, অগনিত ক্ষোভ কদিন আগেও রাস্তার মোড়ে সেই প্রলাপ শুনতাম বোধগম্য ছিলনা কিছুই তাই পাগল বলে গন্তব্যে যেতাম আজ বেশ বুঝছি তার হাহাকার,তার বিলাপ রহস্য প্রতিটা মানসিক অবস্থার ভিন্ন একটা স্তর থাকে সেই স্তরে না এসে মানসিক অবস্থা বোঝা দায় আজ আবেগের অনিয়মিত আস...

ক্ষতস্তিত্ব

 বাঁচার জন্য জীবন থেকে পালিয়ে বেড়াই জীবন থেকে পালিয়ে মৃত্যুর পাশে দাড়াই। নিজেকে খুজতে গিয়ে নিজেকেই হারাই স্বার্থপর হয়ে নিজেকে স্বার্থপরতা দেখাই। স্মৃতির বিড়ম্বনায় ক্ষতবিক্ষত অস্তিত্ব নিজের জীবন নিজের কাছেই অরক্ষিত। বেমালুম ভুলে নিজেই বন্দি নিজ কারাগারে নিজের মুক্তি খুজছি লাশের ভাগাড়ে।

কিঞ্চিৎ কঞ্চিময় জীবন

 অনেক দূরে চলে যাবো ভেবে হারিয়ে গিয়েছিলাম, হুট করে অস্তিত্ব খুজে পেলাম অদৃশ্য পৃথিবীতে। চারদিকে কেমন যেন ধূসর ঘোলাটে আবরন নিস্তব্দ হাহাকার চারদিকে বয়ে বেড়াচ্ছে। নীল লাল আবার নীল আবার লাল তারপর সাদা মৌলিক রঙের এমন পরিবর্তন বিপদের আশংকা। চোখের ভিতর ঠিক মস্তিস্কের মধ্যে সব আলো, আয়ুস্কাল এর ব্যস্তনুপাতিক ভাবনারা এলোমেলো। তীব্র শোকে চোখের জলের বাষ্পায়ন শিল্পীর চোখে মায়াবী চোখের চিত্রায়ন। সংকীর্ণ বিকারগ্রস্থ চিন্তাদের রাজত্ব, মনুষ্যত্বের ত্যাগ, বস্তগত আবেগ। তপ্ত রোদের স্বাক্ষর দগ্ব চামড়ার বলিরেখা, ময়লার স্তুপের কাকের চোখে জীবন দেখা। চৌরাস্তার মোড়ের নগ্ন পাগলের নীরব চাহনি, মৃত্যুশজ্জায় স্মৃতিচারন পূর্ন আত্মজীবনী।

দুঃখরাতের মূর্ছনা

 তোমার জন্য সুখ চেয়েছিলাম চিরকাল পৃথিবীকে না করেছিলাম অজস্রবার, ক্লান্তিকে শরীরে জড়াইনি কত রাত জীবনের ছন্দপতনকে ছন্দ ভেবেছিলাম আমার সময়গুলো ছিল, তোমার ঘড়িতে বাধা, চোখের দৃষ্টি ছিল সীমাবদ্ব, বুদ্বিগুলো লোপ পাচ্ছিল চিন্তাগুলো খেই হারাচ্ছিল, নিজের মধ্যে নিজবন্দি হয়ে, খুজছিলাম নিজেকে, প্রেমের মরুতে আমি তখন তোমায় খুজছিলাম তৃষার্ত্ব পথিকের মত পেয়েছিলাম মরিচীকার মতো,  এখনো প্রতিশ্রুতি আকড়ে বেচে আছি নিজেকে খুজে বেড়াচ্ছি। অস্তিত্ব আজ নিখোঁজ খুজতেও চাই না। হয়তো দুই বৃত্তে থেকে আজো দুইজন দুইজনকেই খুজছি আজ তাই নিজেরাই নিখোজ.. হয়তো আমাদের প্রেমই হয়নি হয়েছিল ভালোবাসার চেয়ে বেশি কিছু।। 

অপূর্ন প্রেম

 আমি সবসময় বড্ড সাদামাঠা প্রেমিক ছিলাম সবুজের মাঝে হালকা হলুদ যেমন ঠিক তেমন তোমার চিকন ঠোটের মায়াবী হাসির মতোন বেনী করা চুলের মাঝে সিথির সিদুর যেমন লাল শাড়ির সাথে কালো টিপ আর কাচের চুড়ি আমার স্বপ্নে শুধু কাজলচোখে তোমার পায়াচারি ঘুম ভাঙে আমি ঘুমাই তোমার চোখের মাঝে হাসো তুমি মুচকি চেয়ে হারাই আমি...... অসমাপ্ত

চিন্তাপোকা

 চলন্ত জীবনের দুরন্ত যাত্রা আর এক চিলতে সুখ সব পাওয়ার মাঝে কিছু না পাওয়ার দুখ ক্ষনিকের থেমে থাকা মানেই হারিয়ে যাওয়া নয় কল্পনা আর বাস্তবতার বিভেদে বাচা মাত্র মানুষের সাথে নিজের বড্ড অমিল সবুজের সাথে মিশে বন্য হবার তাড়না নির্ভুল জীবনে ভুলের  বন্যা আর নিশব্দ হাহাকার জীবন দেখার বাসনা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে নিশ্চুপ নিরবতার অসহ্যকর আর্তনাদ কানে বাজছে শ্রাব্যতার সীমার উর্ধে বিচরিত মস্তিস্কের ভ্রম  সব অদেখা নতুন যেন বড্ড পরিচিত মনে হচ্ছে সভ্য পৃথিবীর নামে অসভ্য চর্চায় আহত ব্যক্তিত্ব  শুন্য মনে অগনিত চিন্তাপোকার বাস ভবিষ্যৎ নামের তিক্ততার নির্যাস কৃত্রিম সুখে নিজেকে জড়ানোর প্রয়াস অজানা বর্তমানেই আজকের ভবিষ্যৎ এর আশ্বাস।

অব্যক্ত আত্মকথন

 কিছু কিছু ভুল মানুষকে ভাবায়, আর কিছু কিছু ভুল মানুষকে কাদায়। মৃত ব্যক্তির ক্যারেক্টার নিজের মধ্যে ধারনকৃত ব্যক্তিরা জীবন্ত লাশের ন্যায় নিস্ক্রিয়।  যা মানুষ জানে না, তা সে নিত্য দেখেও বুঝে না। মন হতে মনের দূরত্ব স্বার্থের সমানুপাতিক।

জীবনবানী

  আদর্শ মানুষকে কেউ পছন্দ করে না। আদর্শ মানুষ ডিসটিল্ড ওয়াটারের মতো - স্বাদহীন। সমাজ পছন্দ করে অনাদর্শ মানুষকে। যারা ডিসটিল্ড ওয়াটার নয় - কোকাকোলা ও পেপসির মতো মিষ্টি কিন্তু ঝাঁঝালো।